এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য— ‘কর্মস্থলে মানসিক স্বাস্থ্য’। মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক থাকলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বাড়বে, এই সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এবারের মূল উদ্দেশ্য।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্যাক্ট ফাইল বলছে, বিশ্বে প্রায় ৩৫ কোটি মানুষ বিষণ্নতায় ভোগে। এছাড়া, দুই কোটি দশ লাখ মানুষ শুধু সিজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত। আর বেশির ভাগ মানুষই মানসিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত।
এ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, ‘কুসংস্কার দূর করে তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অধিকতর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। গ্রামাঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে জনগণের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকে মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিজ্ঞানসম্মত চিকিৎসা না দিয়ে ঝাড়ফুঁক বা তাবিজ-কবজের আশ্রয় নেন।’

Post a Comment